Time
Bangladesh Dhaka

12:21:16 PM

Australia Sydney

5:21:16 PM

Weather
Yahoo! Weather - Sydney Regional Office, AS


Current Conditions:
Find more about Weather in Sydney Regional Office, AU
Click for weather forecast
Currency Rate

Prayer Time
  • Fajr 4:41
  • Sunrise 6:14
  • Zuhr 1:09
  • Asr 4:53
  • Maghrib 8:02
  • Ishaa 9:31
Reader Number
           
 

স্থানীয় সংবাদ

৪৭টি নদীতে ভারত বাঁধ দেওয়ায় শুকিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের নদী
অভিন্ন ৫৪ টি নদীর মধ্যে ৪৭টি নদীর গতিপথে ছোট-বড় ৫ শতাধিক বাঁধ নির্মাণ করেছে ভারত। ভারতের দেয়া বাঁধের কারণে নদীর প্রবাহ চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের নদ-নদী, খাল-বিল শুকিয়ে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক ও মত্স্য সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। ভবিষ্যতে এক ভয়াবহ বিপর্যয় অপেক্ষা করছে জাতির জন্য। গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত বাংলাদেশ ও ভারতের পানি সমস্যা শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা একথা বলেন। তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষরিত না হলে ভারতের সাথে অন্যান্য চুক্তি না করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বক্তারা আহবান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সামরিক চুক্তি করার আগে চুক্তির বিষয় বস্তু জনসম্মুখে প্রকাশ করারও দাবি জানান তারা। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিএনপি'র ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, তিস্তা-গঙ্গা নদীর পানি আমাদের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িত। তিস্তা নদীর পানির অভাবে উত্তরবঙ্গ মরুভূমিতে পরিণত হতে চলেছে। কোটি কোটি মানুষ পানি থেকে বঞ্চিত। কৃষকরা হাহাকার করছে। সুতরাং পানির ন্যায্য হিস্যা না পেলে ভারতের সঙ্গে কিসের সম্পর্ক? মেজর হাফিজ বলেন, ভারত আমাদের বন্ধু। একাত্তরে তারা আমাদের সাহায্য সহযোগিতা করেছে, সেজন্য জাতি কৃতজ্ঞ। কিন্তু এখন তো মনে হচ্ছে কেয়ামত পর্যন্ত এ-ঋণ শোধ করতে হবে, এটা তো সম্ভব নয়। মেজর (অব.) হাফিজ বলেন, যৌথ নদী কমিশন প্রতিষ্ঠা হয়েছিল অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনে ন্যায়ভিত্তিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। সিদ্ধান্ত হয়েছিল প্রতি বছর চারটি মিটিং হবে। কিন্তু এখন ১০ বছরেও একটি মিটিং হয় না। অর্থাত্ এই কমিশন ব্যর্থ পানি সমস্যার সমাধান করতে। গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণে চীনের কাছ থেকে অর্থ সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে মেজর (অব.) হাফিজ বলেন, গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণে বাংলাদেশ সরকার বহুদিন ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ প্রকল্পে চীন অর্থ সাহায্য করতে চেয়েছে। সেই সাহায্য বাংলাদেশের গ্রহণ করা উচিত। ভারতের অর্থ সাহায্যে গঙ্গা ব্যারেজ তৈরি করলে ভারত লাভবান হবে। বাংলাদেশ সুবিধা পাবে না। তিতাস ও বুড়ি নদী শুকিয়ে খাল বিশেষ অতিথি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান বলেন, বিএসএফ প্রতিদিন সীমান্তে মানুষ হত্যা করছে। পানি সমস্যা জিইয়ে রাখছে। তারা সব সুযোগ সুবিধা নিলেও বাংলাদেশকে কিছুই দিচ্ছে না। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফর উল্লাহ চৌধুরী বলেন, পৃথিবীর জীবনযাত্রার জন্য পানির প্রয়োজন। পানির প্রবাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করা অমানবিক অপরাধ। আর ভারত এই মানবতা বিরোধী কাজটি করছে। সাউথ এশিয়া ইয়ুথ ফর পিচ অ্যান্ড প্রোসপারিটি সোসাইটি আয়োজিত সেমিনারে সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক সাজ্জাদুল হকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক দেলোয়ার চৌধুরী, কাদের গণি চৌধুরী, মঞ্জুর হোসেন ইশা, ফরিদ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শরিফুল আলম বাপ্পি।
--------
লাদেশের স্বাধীনতা দিবসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুভেচ্ছা
...বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনল্ড ট্রাম্প। ...শুক্রবার বিকেলে ঢাকার আমেরিকান দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। ...রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো শুভেচ্ছা বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আমি আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানাই। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের পক্ষ থেকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাতে পেরে আমি সম্মানিতবোধ করছি। বিগত চার দশকে বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী এবং গভীর হয়েছে। গণতন্ত্র, উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমসহ বৈশ্বিক এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তায় আমাদের দু'দেশ গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ...তিনি আরো বলেন, আমি দু'দেশের শান্তি এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমাদের সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেয়ার আশা প্রকাশ করছি। এই বিশেষ দিবসে আমি আবারও আপনাকে এবং বাংলাদেশের সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। ...প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো অপর এক শুভেচ্ছা বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, আমেরিকার জনগণের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানাই। আমি আপনার দেশের এই মহান ঐতিহ্য উদযাপনে আপনাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি। ...ডেনাল্ড ট্রাম্প আরো বলেন, বিগত চার দশক ধরে বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক শক্তিশালী এবং গভীর হয়েছে। গণতন্ত্র, উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমসহ বৈশ্বিক এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তায় আমাদের দ'দেশ গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের রয়েছে একই মূল্যবোধ, এবং রয়েছে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পৃথিবী নিশ্চিত করার অঙ্গীকার। আমি আমাদের দু'দেশের শান্তি এবং সমৃদ্ধি অব্যাহত থাকার আশা প্রকাশ করি। এই গুরুত্বপূর্ণ দিবসে আপনাদের সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। ....<শাহাদাত হোসেন/ বাংলা বার্তা >....
--------
জরুরি বিজ্ঞপ্তি - বদরুল আলম, আহ্বায়ক, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল
অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল এর বিপথগামী হাতে গোনা কয়েকজন সদস্য সম্প্রতি নিয়মবহির্ভূত ভাবে সংগঠনের নাম ব্যবহার ও নিজেদেরকে সংগঠনের বিভিন্ন পদের অধিকারী দাবী করে সভা-সমিতি ও বিবৃতি দেবার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, এ ধরনের কার্যকলাপ আইন ও সংবিধান লংঘনের সামিল। এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আমি সংগঠনের আহ্বায়ক হিসেবে সংগঠনের স্বার্থে এ ধরনের অবৈধ ও সংবিধান বিরোধী কর্মকান্ড থেকে সকলকে বিরত থাকার জন্যে অনুরোধ জানাচ্ছি। বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং অতি শীঘ্রই পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এখানে সকলের অবগতির জন্যে জানানো হচ্ছে যে আহ্বায়ক হিসেবে সুদীর্ঘ এক বছরের অধিক সময় ধরে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা ও আগ্রহী সদস্যদের সাথে আলোচনা করে সর্বসম্মতি ক্রমে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিলের জন্য একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, সেই মোতাবেক গত ১১ ই ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে সাধারন সভা ও কার্যকরী পরিষদ গঠনের তারিখ নির্দ্ধারন করা হয়। দু:খজনক হলেও সত্যি, সাধারন সভার দিন দেখা যায় যে, কার্যকরী পরিষদ নির্বাচিত করার জন্যে সংগঠনের বর্তমান অস্থায়ী সংবিধানের ১৫ এবং ৩৪ ধারার নির্দেশকে অমান্য করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একটি প্রহসনমূলক নির্বাচনের চেষ্টা করা হয় এবং সম্পূর্ণভাবে সংবিধান পরিপন্থি কার্যক্রম করা হয়। উক্ত বিষয়ে আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে আমি তাদের পরামর্শ গ্রহন করেছি এবং সেই মোতাবেক শীঘ্রই একটি বৃহত্তর অংশগ্রহণমূলক সাধারন সভা ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে থেকে, সর্ব সম্মতিক্রমে কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবো। এ বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করতে চাইলে যোগাযোগ করুন... বদরুল আলম আহ্বায়ক, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিল ০৪১৪ ৩৫৩ ৮৯৯ Email: saands@bigpond.net.au বিঃদ্রঃ আমি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি অনৈতিক ও অবৈধভাবে ঘোষিত এই তথাকথিত অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশ প্রেস এন্ড মিডিয়া কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটির নামে পরিচালিত সমস্ত কার্যক্রম তাৎক্ষনি ভাবে বন্ধের। এই সাথে অস্ট্রেলিয়ার সকল বাংলাদেশী সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে অনুরোধ জানাচ্ছি সর্বসম্মত একটি কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান এই অবৈধ তথা কথিত নির্বাহী কমিটির সাথে কোন প্রকার কার্যক্রম না করার। কি এবং কেন জানতে চাইলে এই লিংকএ ক্লিক করুন.. http://deshbidesh.com.au/wp-content/uploads/2017/01/why.pdf
--------
হোম অনলাইনরাজনীতি শুধু তিস্তা নয়, ৫৪টি নদী নিয়েই আলোচনা চলছে : প্রধানমন্ত্রী শুধু তিস্তা নয়, ৫৪টি নদী নিয়েই আলোচনা চলছে : প্রধানমন্ত্রী
তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা আলোচনা করছি, এটা এখন নির্ভর করছে তাদের ওপর তারা কীভাবে নেবে। আমরা আমাদের কাজ করে যাচ্ছি। শুধু তিস্তা নয়, ৫৪টি নদী নিয়েই আলোচনা চলছে, এই আলোচনা চলবে। পানি সম্মেলন ২০১৬তে অংশগ্রহণ নিয়ে আজ শনিবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে গঙ্গার পানি বণ্টন। গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি আমরা করেছি। অন্যগুলো নিয়েও আমরা আশাবাদী। আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলনে যোগ দিতে হাঙ্গেরি যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের জরুরি অবতরণ নিছক যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, এটা যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল আর কিছুই না। আল্লাহর রহমতে সহিসালামাতে ফিরে এসেছি। যান্ত্রিক ত্রুটি হতেই পারে। প্রসঙ্গত, হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট জানোস এডারের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পানি সম্মেলন ২০১৬ এ অংশ নিতে চার দিনের সফরে গত ২৭ নভেম্বর বুদাপেস্ট যান। চার দিনের সফর গত বুধবার রাতে দেশে ফিরেন প্রধানমন্ত্রী।
--------
 
 

আন্তর্জাতিক সংবাদ

কাজে টিকে থাকার লড়াইয়ে জিতলেন ১০২ বছরের বৃদ্ধ
পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার এডিথ কাওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দশক ধরে গবেষণার কাজ করার পর গত আগস্টে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১০২ বছর বয়স্ক বিজ্ঞানী ডেভিড গুডালকে হঠাৎ জানিয়ে দেয় তিনি আর বিশ্ববিদ্যালয়ে বসে কোনো কাজ করতে পারবেন না। কিন্তু তবুও সেই বৃদ্ধ ওই বিশ্ববিদ্যালয়েই কাজ করতে চান এবং এক পর্যায়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করাতে সক্ষম হন। খবর বিবিসির। খবরে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে বাসায় বসে কাজ করতে বলে। কারণ সহকর্মীরা কর্মস্থলে তার নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছিল যে বয়সের কারণে তাঁর জন্য অফিস থেকে কাজ করা ঝুঁকিপূর্ণ এবং সে জন্য গবেষণার কোনো কাজ করতে চাইলে তা তাকে বাসায় বসেই করতে হবে। ডঃ গুডাল ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা সহযোগী হিসাবে কাজ করেন - তবে বিনা বেতনে। এটা একটা সাম্মানিক পদ। তিনি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক বিজ্ঞানী এবং ৭০ বছরের বিজ্ঞানী জীবনে পরিবেশ বিষয়ে তিনি শতাধিক গবেষণাপত্র লিখেছেন। ডঃ গুডাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত মোটেই মানতে রাজি হননি। এর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছেন গত কয়েক মাস এবং কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত তাঁর যুক্তি মেনে নিয়ে এখন বিশ্ববিদ্যালয়েরই অন্য একটি ক্যাম্পাসে তাকে কাজ করার জায়গা করে দিয়েছে। ডঃ গুডাল অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক বিজ্ঞানী যিনি এখনও কাজ করে যাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চান্সেলার বলেছেন, ডঃ গুডালকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর উপযুক্ত একটি অফিস দিতে পেরে আমরাও সন্তুষ্ট। ডঃ গুডালও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, "আশা করি আমি আরও অনেকদিন আমার কাজের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারব। তবে সবকিছুই নির্ভর করবে আমার দৃষ্টিশক্তি কতটা ভাল থাকে তার ওপর।" তিনি বলেছেন, "বিষয়টা নিরাপত্তার নয়, ওরা অহেতুক আমার নিরাপত্তা নিয়ে বাড়াবাড়ি করছিল।" ডঃ গুডাল শখে নাটকও করতেন। কিন্তু সম্প্রতি গাড়ি চালিয়ে তিনি মহড়ায় যেতে অপারগ হয়ে পড়ায় নাটকে অংশ নেওয়াও তাকে ছাড়তে হয়েছে। আর তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজও তিনি ছাড়তে মোটেই রাজি ছিলেন না।
--------
মিয়ানমারকে কড়া জবাব মালয়েশিয়ার
মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের নৃতাত্ত্বিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছে মালয়েশিয়া। কুয়ালালামপুরে সংহতি মিছিলকে সামনে রেখে আজ শনিবার এক বিবৃতিতে এই মন্তব্য করল দেশটি। ওই মিছিলে নেতৃত্ব দেবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। রয়টার্সের খবরে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার মিয়ানমারের পক্ষ থেকে বলা হয়, মালয়েশিয়ার সার্বভৌম বিষয়গুলোর প্রতি শ্রদ্ধা রাখা উচিত। মালয়েশিয়াকে আসিয়ান নীতি মেনে চলতে হবে এবং সদস্য দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলানো থেকে দূরে থাকতে হবে। মিয়ানমারের এই বার্তার পরেই মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, মিয়ানমারে কেবল একটি নৃগোষ্ঠীকেই তাড়ানো হচ্ছে। আর এটি নৃতাত্ত্বিক নিশ্চিহ্নকরণের শামিল। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য মিয়ানমারের এই আচরণ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। এরই কড়া সমালোচনা করেছে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ মালয়েশিয়া। ২০১২ সালে রাখাইনে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় শতাধিক নিহতের পর এটি বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা।
--------
ট্রাম্পের ঐতিহাসিক ফোনে ক্ষুব্ধ চীন
কয়েক দশকের শৈত্য গলিয়ে সদ্য নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টেলিফোনে সরাসরি কথা বললেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে৷ ১৯৭৯-এ দুই দেশের মধ্যে সমস্ত কূটনৈতিক ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর সম্ভবত এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওই স্বশাসিত দ্বীপের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বললেন৷ অন্যদিকে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপে বেজায় চটেছে চীন৷চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং য়ি শনিবার এই ঘটনাকে 'তাইওয়ানের চালাকি' বলে উল্লেখ করেছেন৷ তিনি জানিয়েছেন, এর ফলে মার্কিন-চীন সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করছে বেইজিং৷ চীন মনে করে, তাইওয়ান স্রেফ চীন থেকে বেরিয়ে যাওয়া একটি প্রদেশ মাত্র। যেটি ভবিষ্যতে কোনো একদিন ফের চীনের সঙ্গেই যুক্ত হবে। তাইওয়ান নিজেকে কীভাবে দেখে সেটার উত্তর অবশ্য এতটা সরল নয়। প্রায় ২৩ মিলিয়ন জনসংখ্যা বিশিষ্ট দ্বীপটির কোনো কোনো দল এবং জনগণের একটি অংশ তাইওয়ানকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে দেখতে চান। বর্তমানে তাইওয়ানকে একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসাবে উল্লেখ করে চীন৷ তাইওয়ানের সঙ্গে চীনের শত্রুতা সুবিদিত৷ এমনকি, তাইওয়ানের দিকে চীন কয়েক শ' মিসাইল তৈরি রেখেছে বলেও বারবার দাবি করা হয়েছে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে৷ সেই দ্বীপের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলায় তাই বেজায় চটেছে চীনা শীর্ষ নেতৃত্ব৷ আমেরিকার প্রতি চীন কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, 'চীনের এক রাষ্ট্র নীতির প্রতি অবিচল থাকলে তবেই চীন-মার্কিন সম্পর্ক ভবিষ্যতে মজবুত থাকবে৷ আশা করা হচ্ছে, সেই সম্পর্ক কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সেই সম্পর্কের উপর আঘাত হানবে না৷'
--------
 
";