Home
Writers Corner
Photo Gallery
Archive
About Us
Search
Contact Us
আজ ১৮ মাঘ ১৪১৮ বঙ্গাব্দ
Time
Bangladesh Dhaka
12:21:16 PM
Australia Sydney
5:21:16 PM
Weather
Yahoo! Weather - Sydney Regional Office, AS
Current Conditions:
Mostly Cloudy, 24 Celsius
Currency Rate
1 AUD = 89.7353365538 BDT
Prayer Time
Fajr 4:41
Sunrise 6:14
Zuhr 1:09
Asr 4:53
Maghrib 8:02
Ishaa 9:31
Reader Number
Bangladeshi Newspaper
Daily Prothom Alo
Daily Ittefaq
Daily Jaijaidin
Daily Janakantha
Daily Inqilab
Australian Newspaper
Daily Telegraph
The Sydney Morning Herald
The Australian
NEWS.COM.AU
The Mercury
Australian Local Newspaper
Basbhumi
Sydneybashi Bangla
POBD
Karnafuli
Bangla-Sydney.COM
High Comission Websites
Australian High Comission
Bangladesh High Commission
British High Comission
Indian High Comission
Canadian High Comission
Bangladeshi Bank
Bangladesh Bank
Agrani Bank
Sonali Bank
Pubali Bank
Rupali Bank
Entertainment
Dharabahik Natok
Bangla Natok
Amar Natok
BdEntertain
Musicbd
Social Sites
Face Book
HI 5
Twitter
E Gate BD
Gmail
Useful Sites
Youtube
Metacafe-Movie
Brother Soft
Movies Ahashare.com
Internet Movies Databse
Sports
Fifa
International Cricket Council
Bangladesh Cricket
Cricket Australia
English Premier League
Bangladeshi TV Channels
BTV
BTV World
ATN Bangla
Channel 1
Rtv
Encyclopedia & Dictionary
Wikipedia
Britannica
Banglapedia
Encarta
Oxford Dictionary
Bangladeshi University
Dhaka University
Jahangirnagar University
Jagannath University
Chittagong University
Rajshahi University
World News
BBC
CNN
AFP
AP
BSS
Mobile Operator of Bangladesh & Australia
Grameen Phone
Banglalink
Aktel
Warid Telecom
Teletalk
<
স্থানীয় সংবাদ
গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ছে, ঘোষণা আজ
দেশের সব শ্রেণীর গ্রাহকের ব্যবহূত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গতকাল রাতে দাম বাড়ানোর বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে তা ঘোষণা করার কথা। বিইআরসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানিভেদে দাম বাড়বে ১৫ থেকে ২৪ শতাংশ পর্যন্ত। এই মূল্যবৃদ্ধি দুই দফায় কার্যকর হবে। প্রথম দফায় চলতি ডিসেম্বর মাসের ১ তারিখ থেকে এবং দ্বিতীয় দফায় আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর হবে। আর কয়েক দিন পর জানুয়ারি মাসে গ্রাহক যে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবে, প্রথম দফার বর্ধিত দামেই সেই বিল দিতে হবে। দ্বিতীয় দফার বাড়তি দাম দিতে হবে ফেব্রুয়ারি মাসের বিল থেকে। এই দাম বাড়ানোর পরও বিতরণ কোম্পানিগুলোকে সরকারের প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, মাসে ১০০ ইউনিট (কিলোওয়াট ঘণ্টা) পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকের ক্ষেত্রে দাম বাড়ানো হচ্ছে না। অপেক্ষাকৃত দরিদ্র মানুষকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কৃষি, ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানে ব্যবহূত বিদ্যুতের দামও বাড়ানো হচ্ছে না। বিইআরসি সূত্র জানায়, ১০১ থেকে ৪০০ এবং ৪০১ থেকে ঊর্ধ্বে ব্যবহারকারী গ্রাহকের ক্ষেত্রে বিদ্যুতের দাম বাড়বে বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানিভেদে ১৫ থেকে ২৪ শতাংশ পর্যন্ত। এর মধ্যে পল্লীবিদ্যুতের (আরইবি) দাম বাড়বে দুই দফায় ১৫ শতাংশ। প্রথম দফায় ৮ দশমিক ৮৪ এবং প্রথম দফার বৃদ্ধির ওপর দ্বিতীয় দফায় বাড়বে ৫ শতাংশ। কিন্তু ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি (ডেসকো) এবং ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) বিদ্যুতের দাম বাড়বে ২০ থেকে ২৪ শতাংশ পর্যন্ত। আবার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বিতরণ এলাকা এবং পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির (ওজোপাডিকো) বিদ্যুতের দাম বাড়বে ১৮ শতাংশের মতো। এই ভিন্ন ভিন্ন হারে মূল্যবৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে বিইআরসি সূত্র জানায়, আরইবি, পিডিবি ও ওজোপাডিকোর গ্রাহকদের মধ্যে ১০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারী ও কৃষি গ্রাহকের সংখ্যা বেশি। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে দাম বাড়ানো হচ্ছে না। তাই এই তিনটি কোম্পানির ক্ষেত্রে দাম বাড়বে কম। এতে কোম্পানিগুলোর যে লোকসান হবে, তা ভর্তুকি দিয়ে পোষানো হবে। আবার ডেসকো ও ডিপিডিসির ক্ষেত্রে প্রায় সব গ্রাহকই ১০১ ইউনিট থেকে ঊর্ধ্বে ব্যবহারকারী হওয়ায় এই দুই কোম্পানির ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধির হার হবে বেশি। তবে শেষ হিসাবে সারা দেশের গ্রাহকের (১০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারী, কৃষি, ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান ছাড়া) বিদ্যুতের দামের মধ্যে সামঞ্জস্য আসবে। বর্তমানে গ্রাম ও শহরের, বিশেষ করে আরইবি ও অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহকদের বিদ্যুতের দামের মধ্যে যে অসামঞ্জস্য রয়েছে, এবারের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে তা অনেকটাই কমে আসবে। দেশে গ্যাসের মতো সস্তা প্রাথমিক জ্বালানির উৎপাদন-ঘাটতি দেখা দেওয়ায় অনেক বেশি দামি ডিজেল-ফার্নেস তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে সরকার বাধ্য হওয়ায় বিদ্যুতের উৎপাদন মূল্য বেড়ে গেছে। তা ছাড়া ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটানের তুলনায়ও বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম কম। ফলে সরকার ধাপে ধাপে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত করছে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ শতাংশ হারে বাড়ানো হয়েছিল।
--------
মধ্যরাতে ইলিয়াস আলীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা!
নিখোঁজ বিএনপির নেতা এম ইলিয়াস আলীর বিরুদ্ধে তাঁর নিজ এলাকা সিলেটের বিশ্বনাথ থানায় আওয়ামী লীগের এক নেতা দুটি মামলা করেছেন। গত বুধবার মধ্যরাতে দলের বিশ্বনাথ উপজেলা শ্রমবিষয়ক সম্পাদক বশারত আলী ওরফে বাশা মামলাটি করেন। মামলায় ইলিয়াসের বিরুদ্ধে ২০০১ সালে চাঁদা দাবি করে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। বিশ্বনাথ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ দুটি মামলা রাতেই লিপিবদ্ধ করার কথা স্বীকার করেন। একটি এজাহার কপিতে দাখিল করা অভিযোগ দুটি মামলা হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়। একটি চাঁদাবাজি (নম্বর ১০) এবং অপরটি বিস্ফোরক মামলা (নম্বর ১১)। মামলায় ইলিয়াস ছাড়াও বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সোহেল আহমদ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক কলমদর আলী, উপজেলা যুবদলের সদস্য আজাদ নূরকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় আরও ১৪ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি উল্লেখ করা হয়। মামলায় বাদী অভিযোগ করেন, বিশ্বনাথের রামপাশা রোডে সোনার বাংলা হোটেল নামে বশারতের মালিকানাধীন রেস্তোরাঁয় ইলিয়াস আলী ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর লোক মারফত ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় ১৫ অক্টোবর ইলিয়াস সশস্ত্র অবস্থায় দলবলসহ রেস্তোরাঁয় গিয়ে ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করেন। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। মামলার অভিযোগে বর্ণিত ওই ঘটনার সময় ইলিয়াস সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ) আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে সদ্য নির্বাচিত সাংসদ ছিলেন। প্রায় ১১ বছর আগের ঘটনা এবং ইলিয়াস নিখোঁজ হওয়ার পরপরই মামলা দায়ের করা নিয়ে থানায় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বিসঞ্চয়ের সৃষ্টি হয়। রাত প্রায় দুইটায় বাদী বশারত থানায় উপস্থিত হলে পুলিশের স্থানীয় কর্মকর্তারা প্রায় আধা ঘণ্টা এ বিষয়ে পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে নির্দেশনা পেয়ে মামলা লিপিবদ্ধ করা হয় বলে থানা সূত্র জানায়। তবে এ ব্যাপারে রাতে সিলেটের পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, যেহেতু বাদী অভিযোগ দিয়েছেন, সে জন্য মামলা হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে তদন্ত করে দেখা হবে। মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে বাদী বশারত আলী বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময় আমি মামলা করার জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। এখন সময় এসেছে, তাই মামলা করেছি। বশারত বলেন, ওই ঘটনায় ইলিয়াস ক্ষমতার দাপটে উল্টো মামলা করেছিলেন। মামলায় আমি ও আমার ছেলে জেল পর্যন্ত খেটেছিলাম।
--------
নেত্রীর নির্দেশে তিনি লুকিয়ে থাকতে পারেন: প্রধানমন্ত্রী
বিএনপির নেতা ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়া সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির এক নেতা নাকি হারিয়ে গেছে। তাদের আরেক নেতা হারিছ চৌধুরী সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকেই হারিয়ে আছে। সেও হারিছ চৌধুরীর মতো লুকিয়ে আছে কি না, কে জানে! আন্দোলনের ইস্যু তৈরি করতে বিরোধীদলীয় নেত্রীর নির্দেশে সে লুকিয়ে থাকতে পারে। গতকাল বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ইলিয়াস আলী সম্পর্কে শেখ হাসিনা আরও বলেন, বিরোধীদলীয় নেত্রী তাকে বলেছেন, তুমি লুকিয়ে থাকো। আন্দোলনের ইস্যু পাচ্ছি না। নিজের দলের একজনকে গুম করার অভিযোগ তুলে তিনি হরতাল দিয়েছেন। মারামারি, কাটাকাটি করছেন। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে চট্টগ্রামে বিএনপির নেতা জামাল উদ্দিন নিখোঁজ ও নিহত হওয়ার ঘটনা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, নিজের দলের লোককে খুন করা, গুম করা বিএনপির চরিত্র। হত্যা-গুমের রাজনীতি শুরু জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর তা ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে। সকালে কৃষক লীগের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত হিসেবে উল্লেখ করেন। এ জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি।
--------
নব-নির্বাচিত ছাত্রলীগ কমিটিকে অভিনন্দন
গত ১লা এপ্রিল ২০১২ এ অনুষ্টিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অষ্ট্রেলিয়া শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে জনাব মহিদুজ্জামান সুমন কে সভাপতি এবং জনাব আমিনুল ইসলাম রুবেলকে সাধারন সম্পাদক করে আগামী ১ (এক) বছরের জন্য নতুন কমিটি নির্বাচিত হয়। কেন্দ্রীয় নেতা জনাব লিয়াকত সিকদার ও জনাব শাহাজাদা মহিউদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি জনাব বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারন সম্পাদক জনাব সিদ্দিকী নাজমুল আলম এর সুযোগ্য নেতৃত্বে অষ্ট্রেলিয়া ছাত্রলীগের এই সম্মেলন সিডনিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। নব -নির্বাচিত কমিটিকে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন এবং সেই সাথে আমাকে বাংলাদেশের ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত করায় আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। সেই সাথে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে গতিশীল ছাত্রলীগের মাধ্যমে হাজার রছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে জনগনের কাছে পৌছে দেবার জন্য নিরলস কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। বিনীত হোসেইন ইরতাজা শিমুল নব-নির্বাচিত সদস্য কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
--------
ফেলে দেওয়া ফওজিয়া
ফওজিয়াকে ওর জন্মের পর পরই ফেলে দেওয়া হয়েছিল। একটুকরো কাপড় জরিয়ে তুলতুলে নবজাত ফওজিয়াকে প্রচন্ড রোদ আর গরম বালির বিছানায় ফেলে রাখা হয়েছিল। কামনা করা হয়েছিল ওর মৃত্যু। শুনলে আশ্চর্য হবেন যে এমন কাজটি করেছিলেন সে হচ্ছে ওর জন্মদাতা মা। আমরা জানি, কু-সন্তান কখোনো হয়, কু-মাতা কখোনো নয়। সন্তানের মৃত্যু কামনা যখন কোনো মা করেন তখন একটু চিন্তিত হতে হয় বৈকি! ফওজিয়ার মা কোনো মানসিক ব্যাধিতে ভুগছিলেন না। ঊনি ছিলেন তার স্বামীর সাতটি বিবির একজন। সাত সতিনের ঘর। ফওজিয়ার জন্মের কয়েক মাস আগে ওর পিতার ১৪বছর বয়স্কা সপ্তম বিবিটি একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। ফওজিয়া তখন মায়ের জঠরে হাত পা নাড়ছিল, ওর মা মনে প্রানে চাইছিলেন একটি ছেলে হোক, তানা হেল এতগুলো সতিনের ঘরে তালাকের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে না। আফগানিস্তানে একটি মেয়ের মূল্য গৃহপালিত ছাগলটির চাইতে কম। ছাগল দুধ দেয়, মাংশ দেবে, চামড়াটি বিক্রি করলে এক হপ্তার রুটির দাম পাওয়া যাবে। মেয়েদের কি মূল্য আছে? মেয়ের জন্য প্রতিদিন খাবার জোগার করতে হবে, বিয়ের জন্য বিশাল যৌতুক। তাই ফওজিয়ার জন্ম ওর মায়ের জন্য ছিল এক দুঃস্বপ্ন। হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ওর মা ওকে ফেলে এসেছিলেন নিশ্চিত মৃত্যুর কোলে, কর্কশ প্রান্তরে যেখানে মৃত্যু ঘুড়ে বেড়াচ্ছে এক টিলা থেকে অন্য টিলায়। সেখানে বেঁচে থাকতে হলে ক্যাকটাস হতে হয়। এমন অব্যার্থ মৃত্যুর পরিপাটি ব্যাবস্থার মাঝখানেও সেই কথাটিই সত্যি হলো- রাখে আল্লা মারে কে! ফওজিয়া মরেনি। আকাশ থেকে নেমে আসা ফোঁটা ফোঁটা শবনম ওর কচি ঠোট ভিজিয়ে দিয়েছে। দূরে মুয়াজ্জীনের আজানের সুর ওকে ঘুম পাড়িয়েছ। এক মুসাফির সেখান থেকে কুড়িয়ে ওকে তুলে দিয়েছিল ওর মায়ের কাছে। রোদে ঝলসানো অর্ধমৃত শিশু ফওজিয়া কোন শক্তিবলে টের পেয়েছিল ওর মায়ের শরীরের গন্ধ। ছোট্ট দুটি হাতে আক্ড়ে ধরেছিল পৃথিবীর তাবৎ মানুষের শান্তির আশ্রয়, মায়ের বুক। সেই মূহুর্তে মা ফওজিয়াকে বুকে চেপে কসম খেয়েছিলেন আমি বেঁচে থাকতে এ মেয়ের ক্ষতি করার সাধ্যি কারো নেই। কথা রেখেছিলেন ওর মা। তালিবান বেষ্টিত আফগানিস্তানে মেয়েকে ইস্কুলে পাঠিয়েছিলেন। মেয়েকে সব বাধাঁ প্রতিহত করে ডাক্তারী পড়িয়েছেন। ফওজিয়া কুফি (ঋধুিরধ কড়ড়ভর) এখন আফগানিস্তানের পার্লামেন্টে মহিলা ডেপুটি স্পিকার। অন্য দশটা দেশের স্পিকারের মত জীবন কিন্তু আফগানিস্তানের স্পিকারের নয়। প্রতিদিন ফওজিয়া পাচ্ছেন মৃত্যুর পরোয়ানা আর বিবাহের প্রস্তাব। হয় বিয়ে কর নাহয় মর! এইতো সেদিন গুলিতে ঝাঝড়া করে দিয়েছিল ফওজিয়ার গাড়ী। কি ভাবে বেঁচে গেছে ভাবতে আশ্চর্য লাগে। আবার বলতে হয়- রাখে আল্লা.....। ফওজিয়ার আশা আগামী ২০১৫ এর নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদপার্থী হিসেবে দাড়াবেন। তবে কথাটা শেষ করলেন তিনটি শব্দ দিয়ে, যদি-বেঁচে-থাকি। ফওজিয়ার জীবনে মা সব প্রেরনার উৎস। পিতস্মৃতি বলতে তেমন কিছু নেই। ওর বাবা ওকে কোনদিন আদর করা দূরে থাক, নাম ধরে ডাকেনি। ওকে দেখলে ওর বাবা বলতো- দূর হয়ে যা চোখের সামনে থেকে। এছাড়া আর কোন কথা ওর বাবা কখনো ওকে কোনদিন বলেনি। আফগানিস্তানের পুরুষ গুলো হঠাৎ করে এমন নির্দয় হয়ে গেল কি করে? অথচ রবীন্দ্রনাথ সেই কবে আফগানিস্তানের রহমতের সাথে আমাদের পরিচয় করে দিয়েছিলেন। বাংলার রাস্তায় রাস্তায় ঝুলি কাধেঁ মাথা উচু করে ঘুড়ে বেড়াতেন। কাবুলীওয়ালা তোমার ঝুলির ভেতর কি আছে? আখরোট, কিসমিস্, পেস্তা আর হাজার হাজার মাইল দূরে ফেলে আসা পাঁচ বছরের মমতাময়ী মেয়েটির হাতের ছাপ লাগানো ছেড়া একটি কাগজ, যে মিনির মত একদন্ড কথা না কহিয়া থাকিতে পারেনা।
--------
আন্তর্জাতিক সংবাদ
২৪ বছর পর বিদেশ সফরে যাবেন সু চি
মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি আগামী জুনে নরওয়ে ও যুক্তরাজ্য সফর করবেন। ২৪ বছরের মধ্যে এটাই হবে তাঁর প্রথম বিদেশ সফর। গতকাল বুধবার সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) একজন মুখপাত্র এ কথা জানান। গৃহবন্দিত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার এক বছরেরও বেশি সময় পর সু চির বিদেশ সফরের এই ঘোষণা এল। এ মাসের শুরুর দিকে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে পার্লামেন্টের একটি আসনে জয়ী হন তিনি। এতে সু চির পার্লামেন্টে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এনএলডির মুখপাত্র নিয়ান উইন জানান, সু চির সফরসূচির মধ্যে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড শহরও রয়েছে। সত্তরের দশকে ওই শহরের ঐতিহাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন সু চি। নিয়ান উইন আরও জানান, সু চি প্রথমে নরওয়ে না যুক্তরাজ্য সফর করবেন, এ বিষয়ে তিনি জানেন না। তবে প্রাথমিকভাবে সু চি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তিনি প্রথমে নরওয়ের অসলো সফর করতে পারেন। তবে সফরের সময়সূচি সম্পর্কে এখনো সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানানো হয়নি। ১৯৮৯ সালে প্রথম সু চিকে গৃহবন্দী করা হয়। পরবর্তী ২১ বছরের মধ্যে বেশির ভাগ সময়ই তিনি গৃহবন্দী ছিলেন। ২০১০ সালের নভেম্বরে তিনি গৃহবন্দিত্ব থেকে মুক্তি পান। মুক্তির পর সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সু চিকে দেশ ত্যাগের প্রস্তাব দেয় সরকার। তবে তাঁকে আর দেশে ফিরতে দেওয়া হবে নাএই আশঙ্কায় সু চি ওই প্রস্তাবে রাজি হননি। গণতন্ত্রে উত্তরণের পথে আরও উত্তরণে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থেইন সেইনের রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ মাসে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে এনএলডির পাওয়া ৪৩টি আসনের একটিতে জয়ী হন সু চি। থেইনের রাজনৈতিক সংস্কারের মধ্যে ছিল রাজবন্দীদের মুক্তি, গণমাধ্যমের অধিকতর স্বাধীনতা, জাতিগত বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তির সংলাপ শুরু ইত্যাদি। গত শুক্রবার ইয়াঙ্গুনে নিজ বাসভবনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে বৈঠক হয় সু চির। ওই সময় ক্যামেরন সু চিকে যুক্তরাজ্য সফরের আমন্ত্রণ জানান। প্রস্তাবটি সু চি বিবেচনা করবেন বলে জানান। এদিকে জাপানের পরারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা গতকাল জানান, চলতি সপ্তাহেই মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট সেইন থেইন জাপান সফর করবেন। ২৮ বছরের মধ্যে এই প্রথম মিয়ানমারের কোনো রাষ্ট্রপ্রধান জাপান সফরে যাবেন। ওই কর্মকর্তা জানান, থেইন ২০ থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত জাপান সফর করবেন এবং ২১ এপ্রিল নোদার সঙ্গে বৈঠক করবেন। মিয়ানমারের একজন কর্মকর্তা থেইনের জাপান সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এএফপি ও বিবিসি।
--------
ইরান বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি চালাতে পারবে!
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উদ্দেশে এক গোপন বার্তায় বলেছেন, বেসামরিক খাতে তেহরান পরমাণু কর্মসূচি চালাতে পারে। কিন্তু, কখনোই যেন পারমাণবিক অস্ত্রের দিকে দেশটি ধাবিত না হয়। বার্তা সংস্থা আইএএনএস আজ শনিবার এ খবর প্রকাশ করেছে। ওয়াশিংটন পোস্টের বরাত দিয়ে আইএএনএসের খবরে বলা হয়, সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তায়িপ এরদোগানের সাক্ষাত্ হয়। সেখানে তাঁরা ইরান ও সিরিয়া নিয়ে আলোচনা করেন। সিউল সফর শেষে এরদোগান তেহরান সফরে যান। তেহরানে খামেনিকে বারাক ওবামার ওই গোপন বার্তা পৌঁছে দেন এরদোগান। বার্তাটি অনেকটা এ রকমমার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানের পরমাণু কর্মসূচি মেনে নেবেন, তবে তা যদি কেবল বেসামরিক প্রয়োজনে চালিত হয় সে ক্ষেত্রে। সম্প্রতি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্রের পথে যাবে না। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের দেশটি বিশ্বাস করে পারমাণবিক অস্ত্র থাকাটাই ভীষণ পাপ। পারমাণবিক অস্ত্রকে ধ্বংসাত্মক ও বিপজ্জনক আখ্যা দিয়ে খামেনি আরও বলেন, নির্বোধেরাই এ ধরনের অস্ত্রের বিস্তার ঘটায়। খামেনির এ কথা প্রসঙ্গে ওবামা বলেছেন, খামেনি যেন তাঁর এ কথা রাখেন। এদিকে চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, ১৩-১৪ এপ্রিল তুরস্কের ইস্তাম্বুলে তেহরানের বিতর্কিত পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আবারও আলোচনায় বসছে রাশিয়া, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির সমন্বয়ে ছয় বিশ্বশক্তি।
--------
যুক্তরাজ্যে আশ্রয় চান ওসামার স্ত্রী
আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার প্রয়াত নেতা ওসামা বিন লাদেনের ছোট স্ত্রী আমাল আহমদ আবদুলফাত্তাহ আল সাদা যুক্তরাজ্যে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন। ব্রিটেনের একটি দৈনিক পত্রিকায় গতকাল বৃহস্পতিবার এ খবর প্রকাশিত হয়। দ্য সান প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ওসামার ইয়েমেনি স্ত্রী আমাল তাঁর পাঁচ শিশুসন্তানসহ যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থী। পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে আমাল ব্রিটিশ রাজপরিবার ও জাতির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আমি মনে করি, যুক্তরাজ্য সরকার ও দেশটির জনগণ মার্কিনদের তুলনায় মার্জিত ও বন্ধুসুলভ। ব্রিটিশরা সামরিক অভিযানের চেয়ে শান্তিতে বিশ্বাসী। তাঁদের রাজপরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারলে আমি আনন্দিত হব। ওই পরিবারটি বেশ আকর্ষণীয় এবং সব সময় শান্তির জন্য কাজ করে। ব্রিটেনের নির্বাচিত সরকারের যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কিছুটা ঝোঁক থাকলেও দেশটির রাজপরিবার সব সময়ই ভালো কাজ করছে। এদিকে ওসামার পরিবারের সদস্যদের যত শিগগির সম্ভব পাকিস্তান ত্যাগের ব্যাপারে আইনি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ওসামার স্ত্রী ও সন্তানদের সৌদি আরব ও ইয়েমেনে পাঠাতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। ওসামার শ্যালক জাকারিয়া আল-সাদাহ গতকাল এ তথ্য জানিয়েছেন। আমালের ভাই জাকারিয়া বলেন, পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ এবং সৌদি ও ইয়েমেনি দূতাবাস প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিকঠাক করতে সময় নিচ্ছে। পাকিস্তানের বাইরে যেতে পারলে ওসামার স্বজনেরা বছরের পর বছর ধরে দেশটির অভ্যন্তরে তাঁদের গোপন অবস্থানের ব্যাপারে নতুন অনেক তথ্য প্রকাশ করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাকিস্তানের পরাক্রমশালী সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার মদদেই ওসামা সে দেশে লুকিয়ে ছিলেন বলে পশ্চিমাদের সন্দেহ রয়েছে। তবে পাকিস্তান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। ওসামার গোপন অবস্থানের ব্যাপারে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য প্রকাশিত হলে তা দেশটির সরকারকে বিব্রত এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষুব্ধ করবে। নিউইয়র্কে ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ওই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ওসামাকে ধরতে বছরের পর বছর তল্লাশি চালিয়েছে। অবশেষে গত বছরের মে মাসে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদের একটি বাড়িতে মার্কিন অভিযানে নিহত হন ওসামা বিন লাদেন। এরপর তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের আটক করা হয়। জি নিউজ ও রয়টার্স।
--------
নতুন পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা ভারতের
পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম নতুন একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। গতকাল বৃহস্পতিবার এ কথা ঘোষণা করে তারা বলেছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র বেইজিং, সাংহাইসহ চীনের বড় বড় শহরে আঘাত হানতে সক্ষম। তবে এ ধরনের হামলার আশঙ্কা নাকচ করে চীন বলেছে, ভারত তাদের প্রতিপক্ষ নয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গতকাল স্থানীয় সময় সকাল আটটার দিকে পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ওডিশার উপকূলীয় দ্বীপের উৎক্ষেপণ-মঞ্চ থেকে অগ্নি-৫ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালানো হয়। এটি পাঁচ হাজার কিলোমিটার (তিন হাজার ১০০ মাইল) দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। একই সঙ্গে এটি এক টন পরিমাণ যুদ্ধাস্ত্র বয়ে নিয়ে যেতে পারবে। এ ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের অস্ত্রভান্ডারে যুক্ত করতে আরও কিছু ছোটখাটো পরীক্ষা চালাতে হবে। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের এই সফল উৎক্ষেপণ চীনের আঞ্চলিক প্রভাব মোকাবিলায় ভারতের চেষ্টার ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের অগ্রগতি। এর মাধ্যমে ভারত বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে সম্মানজনক আসনে জায়গা করে নিল। ক্ষেপণাস্ত্রটির এই সফল উৎক্ষেপণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি দেশের প্রতিরক্ষাবিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই অর্জনকে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এই সাফল্যের কারণে ভারতের সঙ্গে চীনের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির ব্যবধান বেশ কিছুটা কমে গেল বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে কমপক্ষে সাড়ে পাঁচ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকারী দেশগুলোর কাতারে দাঁড়ানোর পথ উন্মুক্ত করল ভারত। বর্তমানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পাঁচটি দেশ: যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকারী। ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)। এর প্রধান ভি কে সরস্বত বলেন, এ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ গোটা বিশ্বের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে যে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের তৈরি করার ক্ষমতা ভারতের আছে। আমরা আজ একটি ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি। সংস্কৃত ভাষায় অগ্নি মানে আগুন। ১৯৮৩ সাল থেকে ভারতে এই নামে ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে আসছে। ভারতের নতুন সফল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ব্যাপারে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিউ ওয়েইমিন সাংবাদিকদের জানান, ভারতের এ খবর চীন বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। তিনি বলেন, চীন ও ভারত উভয়ই উদীয়মান বড় দেশ। আমরা প্রতিপক্ষ নই, সহযোগী অংশীদার। এএফপি, পিটিআই।
--------
BANGLA BARTA
P.O. Box 3140, Eastlakes NSW 2018
Email: bangla_barta@yahoo.com.au
Chief Editor: Mohammed Aslam Molla, Editor: Pranab Kumar Das, Sub Editor: Faysal Ahamed
Publishers: Mohammed Aslam Molla , Pranab Kumar Das and Faysal Ahamed